চিঠিতে জানানো হয়, যমুনা অয়েলের বকেয়া পরিশোধের জন্য বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও বিপিসিও তাগাদা দিয়েছিল। ২০২২ সালের মার্চে চিঠি দেওয়া হলেও এরপর কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বিপিসি, সিটি করপোরেশন ও যমুনা অয়েলের প্রতিনিধি নিয়ে কমিটিও গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু ২০২৩ সালের ২৪ ডিসেম্বর সর্বশেষ সভা করলেও বকেয়া আদায়ের কোনো সমাধান হয়নি।
বিটুমিনের এই টাকা পরিশোধ না করায় প্রতিবছর নিরীক্ষা আপত্তি এবং কোম্পানিকে নিরীক্ষকের জবাবদিহির মুখে পড়তে হচ্ছে বলে চিঠিতে জানান ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তিনি বলেন, বিটুমিন ক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান সিটি করপোরেশন দীর্ঘদিন ধরে টাকা পরিশোধ না করায় কোম্পানি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
এদিকে ১৯৮৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর তৎকালীন চট্টগ্রাম মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ সেকান্দর হোসেন মিঞা যমুনা অয়েলকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছিলেন, পৌর করপোরেশনের তহবিলস্বল্পতা ছিল। তাই তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ চট্টগ্রাম শহর পরিদর্শনের সময় বিভিন্ন সড়ক জরুরি ভিত্তিতে মেরামত কাজের জন্য দুই কোটি টাকা এবং যমুনা অয়েল থেকে ৬০ লাখ টাকার বিটুমিন অনুদান হিসেবে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। রাষ্ট্রপতির নির্দেশনায় অনুদানের মাধ্যমে পাওয়া যমুনা অয়েল থেকে পাওয়া বিটুমিন দিয়ে রাস্তার উন্নয়নের কাজ শেষ করা হয়।

