জানতে চাইলে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) মহাপরিচালক মো. এজাজুল ইসলাম বলেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি, ব্যাংকঋণের উচ্চ সুদহার, বৈদেশিক মুদ্রাবাজারের অস্থিরতা, আমদানি নিয়ন্ত্রণ, ব্যবসায়ে আস্থার ঘাটতি এবং শিল্পে বিনিয়োগে স্থবিরতার কারণে ঋণের চাহিদা কমেছে। একই সঙ্গে উচ্চ খেলাপি ঋণ ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে ব্যাংকগুলো ঋণ দেওয়ায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছে।
মো. এজাজুল ইসলামের মতে, ঋণে ১০–১২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়ে অর্থ পাচার হওয়া বা অনুৎপাদনশীল খাতে চলে যাওয়ার চেয়ে উৎপাদনশীল খাতে ৫ শতাংশ ঋণপ্রবাহ অর্থনীতির জন্য ভালো। তিনি আরও বলেন, উদ্যোক্তাদের উদ্যোগ, উৎপাদনসক্ষমতা, প্রবাসী আয় ও অভ্যন্তরীণ চাহিদার ওপর বাংলাদেশের অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি রয়েছে। তাই ভবিষ্যতে ঋণে আবার প্রবৃদ্ধি বাড়বে।


