কথা প্রসঙ্গে বাবুল বিশ্বাস জানান, ১৯৮৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে ডাকসুর সাংস্কৃতিক দলের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম নাট্য–পোস্টার প্রদর্শনী। তাঁর মতে, এটি ছিল এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ, কারণ এর আগে দেশে এমন উদ্যোগের নজির ছিল না। এরপর থেকে দেশ–বিদেশে—ভারত, জাপান, যুক্তরাষ্ট্রে—এ পর্যন্ত ৫২টি নাট্য–তথ্য প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে বাংলাদেশ থিয়েটার আর্কাইভস।
আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন নাট্যব্যক্তিত্বরা উদ্বোধন করেছেন এসব আয়োজন। এতে আমাদের মঞ্চনাটকের ঐতিহাসিক যাত্রা নতুনভাবে পরিচিত হয়েছে বিশ্বদরবারে।
নাট্যকর্মীদের মতে, এখন এই আর্কাইভস শুধু একটি সংগ্রহশালা নয়; এটি দেশের নাট্য–গবেষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আশ্রয়স্থল। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক, গবেষক, সাংবাদিক—অনেকে নিয়মিতভাবে এখানে এসে তথ্য সংগ্রহ করেন। এখানকার উপাত্ত ব্যবহার করে তৈরি হয়েছে অসংখ্য অভিসন্দর্ভ ও গবেষণাপত্র। বাবুল বিশ্বাস বলেন, যখন দেখেন তরুণ গবেষকেরা এখানে বসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাজ করছেন, নতুন তথ্য খুঁজে পাচ্ছেন—তখনই মনে হয়, উৎপল দত্তের সেই কথাগুলো সত্যিই বাস্তব হয়ে উঠেছে।
