সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন করে উপাচার্য নিয়োগ হতে দেখা যাচ্ছে। নিয়োগ পাওয়া উপাচার্যদের মধ্যে যাঁদের আমি চিনি, তাঁদের বেশির ভাগেরই প্রশাসনিক ও একাডেমিক কাজে দারুণ দক্ষতা রয়েছে। নিশ্চয় তাঁরা নিজেদের যোগ্যতার বলেই এই নিয়োগ পেয়েছেন। এ জন্য তাঁদের অভিনন্দন জানাই। আশা করা যায়, সামনের দিনগুলোতে তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন। কিন্তু উপাচার্য বদলের প্রয়োজন কেন হয় কিংবা কীভাবে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়, সেটি একটি প্রশ্ন বটে।
উপাচার্য, সহ–উপাচার্য, ট্রেজারার, ডিন, প্রভোস্ট—এগুলো কোনোভাবেই রাজনৈতিক পদ নয়। অথচ দেখা যায়, ক্ষমতা বদলের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের এসব গুরুত্বপূর্ণ পদে পরিবর্তন হতে থাকে। উপাচার্য নিয়োগের ব্যাপারটি যেহেতু শিক্ষা মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণ করে এবং সংবাদমাধ্যমে ফলাও করে এই খবর প্রচারিত হয়, সবার চোখে সেটা বিশেষভাবে ধরা পড়ে। বেশির ভাগ মানুষ হয়তো ধরেই নিয়েছেন, সরকার পরিবর্তন হলে উপাচার্যের পরিবর্তন হওয়াটাই স্বাভাবিক।


