উদ্যোক্তা থেকে যেভাবে দেশের প্রথম সফল নারী অ্যাগ্রো–ইনফ্লুয়েন্সার হলেন পপি

উদ্যোক্তা থেকে যেভাবে দেশের প্রথম সফল নারী অ্যাগ্রো–ইনফ্লুয়েন্সার হলেন পপি

পপিকে বলা যায় দেশের প্রথম সফল নারী অ্যাগ্রো–ইনফ্লুয়েন্সার। একটু পরিসংখ্যান হাজির করলেই বোঝা যাবে মাত্র দুই বছরেই কতটা ভালোবাসা পেয়েছেন এই নারী। তাঁর ফেসবুক পেজে অনুসারী ২৪ লাখের বেশি। ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইবার চার লাখ ছাড়িয়েছে। বলার অপেক্ষা রাখে না, এ সংখ্যাটিও বাড়ছে ধাই ধাই করে।

উম্মে কুলসুম পপি প্রিমিয়াম ফ্রুটসের চেয়ারম্যান আর আবু সাঈদ আল সাগর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।

ফলের পাশাপাশি নিরাপদ সবজি, নিরাপদ প্রক্রিয়াজাত খাবার নিয়ে কাজ করার পরিকল্পনাও তাঁদের রয়েছে। তাঁদের চিন্তায় অ্যাগ্রিট্যুরিজমের বিষয়টিও রয়েছে। রংপুর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে তাঁদের নিজস্ব কৃষি প্রকল্পে সবজি ও ফলের গাছ বড় হচ্ছে, আছে মাছের পুকুর। পর্যটকেরা সেখানে গিয়ে নিজ হাতে ফল পেড়ে খেতে পারবে। বিষমুক্ত সবজি রান্না করে খাওয়ার ব্যবস্থাও থাকবে। পুকুরে মাছ ধরতে পারবে। গরু থাকবে, খাওয়া যাবে খাঁটি দুধ। সেখানে এক দিন-দুই দিন বেড়ানোর ব্যবস্থাও থাকবে।

পপির ভাষায়, তাঁর ভিডিও কনটেন্ট তৈরি ও ব্যবসা একসূত্রে গাঁথা। কৃষিকাজ করলে কে কী ভাববে, এমন দ্বিধা কখনো মনে স্থান দেননি। তাঁর মতে, সবচেয়ে সম্মানজনক পেশা হলো কৃষিকাজ। খামারের গাছগুলো তাঁর কাছে সন্তানের মতো। এই সন্তান ঠিকমতো খাবার (পানি) পেল কি না, চিন্তায় থাকেন সারাক্ষণ।

Explore More Districts