গত বছর কূটনীতি চলাকালে ইরানে ইসরায়েলের বিমান হামলার কারণে তা বাধাগ্রস্ত হয়েছিল। ১২ দিনের সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রও স্বল্প সময়ের জন্য যোগ দিয়ে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালিয়েছিল।
ওমানের মধ্যস্থতায় সাম্প্রতিক আলোচনা চললেও ইরানি জনগণের মধ্যে নতুন করে যুদ্ধের আতঙ্ক বাড়ছে। তেহরানের বাসিন্দা হামিদ বলেন, ‘আমি রাতে ঘুমানোর ওষুধ খেয়েও শান্তিতে ঘুমাতে পারছি না।’ ৪৬ বছর বয়সী আইটি টেকনিশিয়ান মিনা আহমাদভান্দ মনে করেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ হওয়াটা এখন অনিবার্য। তিনি আরও বলেন, ‘আমি যুদ্ধ চাই না, কিন্তু মাঠপর্যায়ের বাস্তবতাকে অস্বীকার করার উপায় নেই।’
এ উদ্বেগের কারণে ভারত, সুইডেন, সার্বিয়া, পোল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়াসহ বেশ কিছু দেশ তাদের নাগরিকদের ইরান ছাড়ার পরামর্শ দিয়েছে।