ইরানে ফের ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র হুংকার ট্রাম্পের—তেহরানের পাল্টা কড়া হুঁশিয়ারি – DesheBideshe

ইরানে ফের ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র হুংকার ট্রাম্পের—তেহরানের পাল্টা কড়া হুঁশিয়ারি – DesheBideshe



ইরানে ফের ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র হুংকার ট্রাম্পের—তেহরানের পাল্টা কড়া হুঁশিয়ারি – DesheBideshe

তেহরান, ২৪ অক্টোবর – বিশ্ব ভূ-রাজনীতিতে আবারও এক মহাবিকট যুদ্ধের ঘনঘটা দেখা দিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর নতুন করে কড়া সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন। ফ্লোরিডার ফোর্ট মায়ার্সে এক জনসভায় দেওয়া ভাষণে তিনি ইঙ্গিত দেন যে, ওয়াশিংটন হয়তো আবারও ইরানে সংঘাতের পারদ বাড়িয়ে নতুন সামরিক অভিযান চালাতে পারে। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনের সূত্র ধরে বিশ্ব গণমাধ্যমে বিষয়টি সামনে আসতেই সর্বত্র শুরু হয়েছে তোলপাড়।

ফ্লোরিডার ওই র্যালিতে সমর্থকদের উচ্ছ্বাসের মাঝে ট্রাম্প সরাসরি মন্তব্য করেন, “আমরা হয়তো আরেকটি ছোট ‘এপিক ফিউরি’ পরিচালনা করব।” উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত চলাকালীন মার্কিন বাহিনীর একটি বড় সামরিক প্রচারণার কোড নাম ছিল ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’। সাবেক ও বর্তমান প্রেক্ষাপট টেনে ট্রাম্পের এই প্রকাশ্য হুমকি বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজার ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন করে আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে।

তেহরানের পাল্টা হুঙ্কার ও কড়া অবস্থান

মার্কিন হুমকির মুখে একচুলও ছাড় দিতে নারাজ ইরান। ট্রাম্পের বক্তব্যের কড়া জবাব দিয়ে তেহরান হুঁশিয়ার করে জানিয়েছে, ওয়াশিংটন যদি নতুন করে কোনো ধরনের সামরিক দুঃসাহসিকতা বা আক্রমণ চালায়, তবে এবার মার্কিন বাহিনীর ওপর আরও অনেক বেশি ধ্বংসাত্মক, প্রখর ও সর্বাত্মক আঘাত হানা হবে। দুই দেশের এই বিপরীতমুখী অবস্থানের কারণে পারস্য উপসাগরে যেকোনো সময় আবারও বড় রকমের সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ইরান শেষে কিউবার দিকে মার্কিন নজর:

জনসভায় কেবল মধ্যপ্রাচ্য নয়, মার্কিন ভূ-রাজনীতির পরবর্তী লক্ষ্য নিয়েও কৌশলগত আভাস দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি জানান, ইরান পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার পর মার্কিন প্রশাসন তাদের পূর্ণ মনোযোগ দেবে ল্যাটিন আমেরিকার দ্বীপরাষ্ট্র কিউবার ওপর।

ট্রাম্প স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “আমরা ইরান থেকে ফেরার পথে কিউবার বিষয়টি দেখব। আমরা সেখানে ছোট্ট একটি বিরতি নেব… এরপর আমরা পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে পাঠাব চুক্তিটি চূড়ান্ত করার জন্য।” মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলোর কিউবা উপকূলের কাছাকাছি অবস্থানের বিষয়ও তার বক্তব্যে উঠে আসে। যদিও এই চুক্তির স্পষ্ট শর্তাবলী বা কিউবা সংক্রান্ত ভবিষ্যৎ মার্কিন পদক্ষেপের বিস্তারিত রূপরেখা সম্পর্কে তিনি এখনই কোনো খোলসা ধারণা দেননি।

এনএন/ ২৪ অক্টোবর ২০২৬

Explore More Districts