এসকোবার অভিযোগ করেন, এ কথিত হত্যাচেষ্টার সঙ্গে ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ জড়িত ছিল। ঘটনার পর পাকিস্তান নাকি তীব্র হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছিল, তাদের প্রতিনিধিদলের ওপর কোনো ধরনের হামলা হলে তার চরম জবাব দেওয়া হবে।
এ মন্তব্য নিয়ে চারদিকে নানা প্রশ্ন ও গুঞ্জন তৈরি হলে পাকিস্তানের একজন উচ্চপদস্থ নিরাপত্তা কর্মকর্তা এ দাবিকে ‘পুরোপুরি বানোয়াট ও ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সুইজারল্যান্ড সফরে এ ধরনের কোনো হুমকির ঘটনাই ঘটেনি।
ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, লুসার্ন শহরে পাকিস্তানের প্রতিনিধিদলের অবস্থানের পুরো সময়ে সুইজারল্যান্ড বা যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে কোনো সতর্কবার্তা ছিল না, এমনকি অস্বাভাবিক কোনো উদ্বেগের কারণও ঘটেনি।
সরকারিভাবে এ দাবি অস্বীকার করা হলেও আন্তর্জাতিক মহলে বিষয়টি বেশ নজর কেড়েছে। কারণ, সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার উত্তেজনা কমাতে পাকিস্তান বেশ দৃশ্যমান ও সক্রিয় কূটনৈতিক ভূমিকা পালন করছে।
