বর্তমান সামাজিক বাস্তবতায় মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তায় থাকেন জ্যোৎস্না বেগম। বললেন, মেয়েদের একা বস্তির ঘরে রেখে আসতে ভয় পান। তাই সঙ্গেই রাখেন। মেয়েরা একা স্কুলে যায়, মেয়েদের ভালোমন্দ বুঝিয়ে দেন। এর বেশি কিছু করার ক্ষমতা তাঁর নেই।
জ্যোৎস্না বেগম তাঁর বস্তির ঘরের মালিকের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন। বললেন, ঘরভাড়া দিতে দেরি হলেও তা তিনি মেনে নেন। তা না হলে ঢাকা শহরে টিকে থাকা কঠিন হয়ে যেত।
স্বামীর প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন জ্যোৎস্না। বললেন, তাঁর স্বামী তাঁর বিভিন্ন কাজে সহায়তা করতেন। ভালো মানুষ ছিলেন।
রাতে বাড়ি ফিরতে দেরি হলে ৫০ টাকা রিকশা ভাড়া লেগে যায়। জ্যোৎস্না বললেন, বেশির ভাগ সময় হেঁটেই বাড়ি ফেরেন। কেননা, এই ৫০ টাকাও তাঁর কাছে অনেক। সামান্য এ টাকা খরচ না করলে জমার পরিমাণ একটু বাড়ে।
