| ১১ December ২০২৫ Thursday ১০:১৮:১০ PM | |
আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:

বরগুনার আমতলী উপজেলায় নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে তুলে নিতে বাধা দেওয়ায় মাদ্রাসা সুপার আবু তাহেরকে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এদিকে ছাত্রীকে তুলে নেয়ার ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
বুধবার (১০ ডিসেম্বর) রাতে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মাদ্রাসা সুপার বাদী হয়ে আমতলী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
জানা গেছে, উপজেলার মানিকঝুড়ি এলাকার জোবায়ের হোসেন বাবু নামে বখাটে দীর্ঘদিন ধরে একই এলাকার এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করে আসছে। বুধবার মাদ্রাসা ছুটির পর বাড়ি যাওয়ার পথে বখাটে জোবায়ের ও তার সহযোগী ইমরান ওই ছাত্রীকে মোটরসাইকেলে তুলে নেওয়া চেষ্টা করে। তবে ওই ছাত্রী দৌড়ে মাদ্রাসার সামনে আসলে সুপার আবু তাহের তাদের বাধা দেয়।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জোবায়ের হোসেন বাবু, ইমরান, নাজমুল, রিয়াজ, সাইমুন ও কবিরসহ ১০-১২ জন বখাটে মাদ্রাসা সুপারকে মারধর করে। আরেক শিক্ষক ফরিদুল ইসলাম তাকে রক্ষায় এগিয়ে আসলে তাকেও লাঞ্ছিত করা হয়।
অভিযুক্ত জোবায়ের মানিকঝুড়ি এলাকার মোশাররফ হোসেন হাওলাদারের ছেলে।
ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী বলেন, মাদ্রাসায় আসা-যাওয়ার পথে জোবায়ের আমাকে দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্ত করে আসছে। বিষয়টি আমি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। বুধবার বিকেলে মাদ্রাসা ছুটির পর তারা আমাকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করলে, আমি দৌড়ে সুপারের কাছে চলে আসি। তিনি বাধা দেওয়ায় তারা সুপারকে মারধর করেছে। আমি বখাটেদের শাস্তি দাবি জানাচ্ছি।
মাদ্রাসা সুপার আবু তাহের বলেন, ছাত্রীকে বখাটে জোবায়ের ও তার সহযোগীরা মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যাচ্ছিল। আমি এতে বাধা দেয়ায় আমাকে মারধর করেছে। আমি এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিয়েছি।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। পুলিশ ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী বলেন, এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নিতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক
| শেয়ার করতে ক্লিক করুন: | Tweet |

