| ১০ January ২০২৬ Saturday ১২:৪৪:৪২ AM | |
আমতলী ((বরগুনা) প্রতিনিধি:

ভূমি অপরাধ ও প্রতিরোধ আইনে দায়ের করা মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা আমতলী উপজেলার গাজীপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরির্দশক (নি.) রনজিৎ কুমার সরকারকে এক লাখ টাকা ঘুস না দেওয়ায় আব্দুল মান্নান আকনের বিরুদ্ধে আদালতে মিথ্যা তদন্ত প্রতিবেদন দিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মামলার আসামি আব্দুল মান্নান আকন শুক্রবার বিকালে আমতলী সাংবাদিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে এমন লিখিত অভিযোগ করেছেন। তদন্ত করে তার (রনজিৎ কুমার সরকার) বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি। ঘটনাটি ঘটেছে আমতলী উপজেলার সোনাখালী গ্রামে।
জানা গেছে, সোনাখালী গ্রামের আব্দুল মান্নান আকনের দাদা নজুমুদ্দিন আকন ৭০ বছর আগে একই এলাকার আসমত আলী মৃধা ও বেলায়েত আলী মৃধার কাছ থেকে ৩০১নং খতিয়ানের ৪৫৭নং দাগে ২ একর ৪ শতাংশ জমি কিনেন। ওই জমি তার নাতি আব্দুল মান্নান আকন ভোগদখল করে আসছেন। গত বছর ৩ সেপ্টেম্বর ওই জমির কিছু অংশ সামসুল হক মৃধা এবং সাফিয়া বেগম দাবি করে আমতলী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আব্দুল মান্নান আকনসহ চারজনকে আসামি করে ভূমি অপরাধ ও প্রতিরোধ আইনে দুটি মামলা দায়ের করেন। আদালতের বিচারক মো. ইফতি হাসান ইমরান মামলা দুটি আমলে নিয়ে গাজীপুর পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ রনজিৎ কুমার সরকারকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। তদন্ত কর্মকর্তা রনজিৎ তদন্ত করতে গিয়ে মামলার আসামি আব্দুল মান্নান আকনের কাছে এক লাখ টাকা ঘুস দাবি করেন কিন্তু তিনি তাকে ঘুস দিতে রাজি হয়নি। এতে ক্ষুব্ধ হন রনজিৎ। পরে তিনি সরেজমিন পরিদর্শন না করেই মিথ্যা ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন এমন অভিযোগ মান্নান আকনের।
আব্দুল মন্নান আকন বলেন, রনজিৎ আমাকে ডেকে নিয়ে আমার কাছে এক লাখ টাকা ঘুস দাবি করেন; কিন্তু আমি তাকে ঘুস দিতে রাজি হইনি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি মিথ্যা সাজানো ঘটনায় আমার ও আমার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে আদালতে প্রতিবেদন দিয়েছেন। আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদের হয়রানি করতেই তিনি আমাদের বিরুদ্ধে এমন মিথ্যা প্রতিবেদন দিয়েছেন।
তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
রনজিৎ কুমার সরকার তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি বদলি হয়ে খুলনা পুলিশ লাইনে এসেছি; কিন্তু আমি সঠিক প্রতিবেদন দিয়েছি।
সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক
| শেয়ার করতে ক্লিক করুন: | Tweet |

