| ৩১ October ২০২৬ Saturday ৯:৪০:৪২ PM | |
আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:

বরগুনার আমতলীতে জেলা পরিষদ মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডে একটি লাইব্রেরিসহ দুটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। এ ছাড়া একটি প্রতিষ্ঠানের আংশিক ক্ষতি হয়েছে। এতে প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।
আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ৮টার দিকে আমতলী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে সরকারি কলেজের সামনে জেলা পরিষদ মার্কেটে এ অগ্নিকাণ্ড হয়।
ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—মো. খলিলুর রহমানের বাহার লাইব্রেরি, মো. মিলন হাওলাদারের বাবা-মায়ের দোয়া গার্মেন্টস এবং মো. নুরুল আলমের সুমাইয়া কসমেটিকস। এর মধ্যে সুমাইয়া কসমেটিকসের আংশিক ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সকালে বাহার লাইব্রেরি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তেই আগুন পাশের গার্মেন্টস ও কসমেটিকসের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে আমতলী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি ইউনিট প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ক্ষতিগ্রস্ত গার্মেন্টস ব্যবসায়ী মিলন হাওলাদার বলেন, ‘প্রতিদিনের মতো রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়িতে চলে যাই। সকালে দোকানে আগুন লাগার খবর পেয়ে এসে কোনো মালামাল বের করতে পারিনি। এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে দোকানটি গড়ে তুলেছিলাম।’
বাহার লাইব্রেরির মালিক খলিলুর রহমান জানান, আগুনে তাঁর দোকানের প্রায় ১৫ লাখ টাকার বই পুড়ে গেছে। কিছুই রক্ষা করতে পারেননি।
প্রত্যক্ষদর্শী চপল চন্দ্র বলেন, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় কেউ আগুন নেভানোর সাহস করেননি।
আমতলী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ওয়ারহাউস ইনচার্জ মো. মাহবুব হোসেন বলেন, ‘খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট পাঠানো হয়। প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অগ্নিকাণ্ডে আনুমানিক ২৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।’
আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক হাসান মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ‘ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ক্ষতিগ্রস্তদের উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।’
সম্পাদনা: আমাদের বরিশাল ডেস্ক
| শেয়ার করতে ক্লিক করুন: | Tweet |


