আবারও পর্দায় ঘনিষ্ঠতার প্রত্যাবর্তন? হলিউডে যেভাবে বদলে যাচ্ছে যৌনতার উপস্থাপন

আরাকি জানিয়েছেন, সিনেমাটির চিত্রনাট্য লেখার সময় তিনি তরুণ প্রজন্মের মধ্যে যৌনতা নিয়ে একধরনের সংকোচ লক্ষ করেছিলেন। তাঁর মতে, ভুল করার ভয় অনেকের মধ্যেই তৈরি হয়েছে। অথচ ভুলের মধ্য দিয়েই মানুষ শেখে।
চলচ্চিত্র সমালোচক ট্রাভিস উডসের ভাষায়, ‘সিনেমা আবারও যৌনতানির্ভর হয়ে উঠছে।’ তবে আশি বা নব্বইয়ের দশকের মতো সরাসরি যৌনতার প্রদর্শন নয়; বরং নির্মাতারা ধীরে ধীরে মূলধারার সিনেমাতেই যৌনতা ও যৌন আকাঙ্ক্ষাকে নতুনভাবে অনুসন্ধান করছেন।

‘বেবিগার্ল’ থেকে ‘পিলিয়ন’
এই নতুন ধারার সিনেমার তালিকায় রয়েছে হালিনা রেইনের ‘বেবিগার্ল’। নিকোল কিডম্যান অভিনীত সিনেমাটিতে ক্ষমতাবান এক করপোরেট নির্বাহী নিজের কর্মক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণে থাকলেও ব্যক্তিগত জীবনে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক আকাঙ্ক্ষার মুখোমুখি হন। তরুণ কর্মীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক যৌনতা, ক্ষমতা ও নিয়ন্ত্রণের জটিল সমীকরণ সামনে আনে।

ব্রিটিশ নির্মাতা হ্যারি লাইটনের ‘পিলিয়ন’-এও যৌনতা ও সম্পর্কের ভিন্ন এক দিক উঠে এসেছে। সিনেমাটিতে এক লাজুক তরুণ সমকামী পুরুষের প্রেমে পড়ার গল্প বলা হয়েছে। সম্পর্কটি শুধু যৌন আকর্ষণের নয়, আবেগ, প্রত্যাশা ও হৃদয়ভাঙারও।
এ ধরনের সিনেমার বিশেষত্ব হলো, যৌনতাকে এখানে সব সময় গুরুগম্ভীর বা নিষিদ্ধ বিষয় হিসেবে দেখানো হচ্ছে না। কোথাও তা মজার, কোথাও বিব্রতকর, আবার কোথাও আবেগপূর্ণ। অর্থাৎ যৌন অভিজ্ঞতার ভালো-মন্দ—দুই দিকই গল্পের অংশ হয়ে উঠছে।

‘দ্য ইনভাইট’-এ যৌনতা নিয়ে সরাসরি আলোচনা
অলিভিয়া ওয়াইল্ডের তৃতীয় পরিচালিত সিনেমা ‘দ্য ইনভাইট’ এ ধারার আরেকটি উদাহরণ। সিনেমাটি বহুগামী সম্পর্ক, দাম্পত্যের সংকট ও যৌনতার সামাজিক ধারণা নিয়ে তৈরি। ওয়াইল্ড ও শেঠ রোজেন অভিনীত এক দম্পতির জীবনে নতুন মোড় আসে প্রতিবেশী এক মুক্তমনা দম্পতির সঙ্গে পরিচয়ের পর।

Explore More Districts