সাম্প্রতিক সময়ে একটি পরিবার আইপিএলের ম্যাচ দেখতে গিয়ে খেয়াল করে, অনেক দর্শক ফোনে সবার সামনেই বেটিং করছেন, ‘আমরা দেখেছি কিশোররা স্টেডিয়াম থেকে ফোনে কল করে লাইভ বেটিং করছে। সংখ্যায় তারা প্রচুর।’
ভারতের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা মাঝেমধ্যেই অবৈধ বেটিংয়ের চক্র ধরতে অভিযান চালায় এবং সফলও হয়। কিন্তু ফ্যান্টাসি গেমিংয়ের ছদ্মবেশে মুঠোফোনের বেটিং অ্যাপস নিয়মনীতি ফাঁকি দিয়ে কম বয়সী কিংবা পরিণত ব্যক্তিদেরও ঝুঁকিপূর্ণ আচরণকে উৎসাহিত করছে।
সমালোচকেরা মনে করেন, বিসিসিআইকে এ নিয়ে অবশ্যই নৈতিক পদক্ষেপ নিতে হবে। কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) এখনো চুপ করে থাকায় ভারতের জনমনে প্রশ্ন জাগার পাশাপাশি সন্তানদের নিয়ে তারা দুশ্চিন্তায়ও পড়েছে। বেটিংয়ের এসব প্ল্যাটফর্মে আইপিএলের বড় তারকাদের প্রচারণা চালাতে দেখা যায়।
আইএএনএস জানিয়েছে, ভারতে এ নিয়ে জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে। সমর্থক ও অভিভাবকদের চাওয়া, বিসিসিআই এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেবে; তথাকথিত এসব গেমিং প্রতিষ্ঠানগুলোর স্পনসর ও এনডোর্সমেন্ট বাতিল করবে। ক্রিকেটাররা আরও দায়িত্বশীল হতে এসবের প্রচারণা যেন না চালান, সেটাও তাদের প্রত্যাশা।

